“রাখাইন শিশু” -রেজ্নূ খান


০১-০৯-২০১৭
মা ,পৃথিবীতে যার কোনো নেই তুলনা।
মায়ের ভালবাসার কোনো বিকল্প হয়না।
মা-ই বুঝে সন্তানের সুখ-দু:খ বেদনা।
ঘরে ঘরে জ্বলছে আগুন,
রাখাইন রাজ্যে ঐ,
রাত নেই দিন নেই ।
কি ভয়ংকর অত্যাচার চলছে তো চলছেই,
দিশেহারা হয়ে প্রান বাচাঁতে আবাল বৃদধ বনিতা ছুটছে তো ছুটছেই।
বন জংগল পাহাড় -পর্বত সাগর -নদী ডিংগিয়ে ঐ।
বিষাক্ত ,ভয়ংকর,জংলী বাঘ-সিংহ হিংস্র প্রানীদের থেকেও হিংস্র ওরা।
মানুষের গন্ধ নেই।
ওরা কি মানুষ?
কি করে মানুষ হয়ে মানুষ কে মারছে?
এত কস্ট দিয়ে?
ঘর বাড়ী সহ সব কিছু শেষ করে জ্বালিয়ে ছাড়-খাড়।
কি নির্মম ,কি নারকীয়,কি অমানুষিক অত্যাচার।
যে শিশু টি সদ্যজাত মায়ের কোলো এসেছে মাত্র
পসূতি মাতাকে সদ্যজাত শিশুর সামনে করছেরক্তাক্ত।
শিশু কেও আচরিয়ে দিল ফেলে মুমুর্ষ মায়ের সামনে,
পেট্রল বা কেরোসিন ঢেলে দিল ঘরে।
দেখছে দাডিঁয়ে হাসছে দাঁত বেড় করে,
আগুনের লেলিহানে জ্বলছে শিশু -নারী।
পুড়ছে গ্রামের পর গ্রাম মানুষ ও ঘর-বাড়ী।
গর্ভবতী মা সাথে ছোট শিশু স্বামী।
জীবন বাচাতেঁ কত শত বাধাঁ পেরিয়ে
এসে দাড়ালো সাগর কিনারে
সাগর পাড়ে বসে ক্ষুধার জ্বালায় কাদেঁ মা ও শিশু।
পানি খেয়ে মিটে না ক্ষুধা
খাচ্ছে লতা পাতা
বৃস্টিতে বসে ভিজছে শিশু জোটেনা ভাংগা ছাতা।
ওপারে যাবার আশায় বসে বসে দিন কেটে যায়
ওপারে গেলে বাচঁবে জীবন ,
মায়ের চিন্তা শিুশুদের জীবন নিয়ে।
যেভাবেই হোক নৌকায় উঠবো গিয়ে।
নৌকায় উঠে আশায় হলো বিভোর
ঐ পাড়েতে গেলে বাচঁবে জীবন।
ঘুটঘুট্ কালো অন্ধকার
নৌকা ভরা মানুষের হাহাকার,
জীবন বাচাঁতে যেতেই হবে ঐপাড়
সাগরের ঢেউয়ের তালে তালে দুলে দুলে নৌকা চলে
পেড়িয়ে গহীন ভংয়কর অন্ধকার
আহারে জীবন নৌকা জীবনের পারাপার,
মাঝ সাগরে ডুবে গেল জীবন নৌকা
মায়ের গর্ভে শিশু হাতে ও শিশু
মিশে গেল জীবনের জ্বালা
মা শিশুরা হারিয়ে গেল সাগর জ্বলে
দেখি আমরা শুধুই পানি পড়ে চোখ গলে গলে।
বিশ্ব মানবতাকে শত ধিক জানাই
রাখাইনরা কি মানুষ না?
তবে কেন বিশ্ব বিবেক নড়ে না
(রাখাইনদদের কস্টের অত্যাচারের উদ্দেশ্যে লেখা ,)কবি রেজনূ খান,ভাইস প্রেসিডেন্ট:জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ (central)ক্রাইম নিউজ টিভি,এজাহীকাফ,উপদেস্টা সম্পাদক দৈনিক আজকের বিনোদন।