“মা “ -রেজনূ খান (লন্ডন)


“মা দিবসে সকল মা কে জানাই শুভেচ্ছা,
হ্রদয়ের গভীর থেকে নেয়া অনন্ত ভালবাসা।
পৃথীবিতে মায়ের কোন বিকল্প হয় না,
সাদা কি বা কালো দেখতে যতই হোক না কেমন।
ভালবাসার চোখে সবাই সমান।
মা – সন্তানের ভাল বাসা অমূল্য রতন।
মা-বেচেঁ থাকতে করি যেন যতন।
জগতের এমন কোন কিছু আজ ও আবিস্কার হয়নি,
মিশাইল কিবা পারমানবিক বোমা ,যা দিয়ে মায়ের ভালবাসা কিনি,
সোনা-দানা,হীরা জহরত,ডলার -পাউন্ড ,মূক্তা মনি।
বিজ্ঞানের কত নব নব আবিস্কার চাদঁ,মংগল শনি,
আকাশে ভাসে কত স্যাটে লাইট ,মংগলে গড়ে বসতি,
বিজ্ঞানীরা আজ ও কি পেরেছে দিতে মায়ের সোহাগ এক রত্তি?
সাগর মহা সাগরের অতলে কত কি বিজ্ঞানের ঘাটিঁ,
পারবে কি কেউ দিতে মায়ের মত ভালবাসা খাটীঁ?
কত শত গবেষনা কত শত কোটি কোটি ডলার পাউন্ডের চালা চালি,কত কি করছে নাসা,
পেরেছে কি দিতে আজ ও মায়ের ভাল বাসা?
খুজেঁ ফিরি দেশ বিদেশে তৃন থেকে নীল আকাশে
পাই নাতো কোথাও মায়ের মুখের হাসি আদর সোহাগ বিলাসে,
কি যাদু মিশে আছে মায়ের ঠোটেঁর স্পর্শে।
মায়ের মুখের গন্ধ যেন শত কোটি গোলাপের গন্ধে মিশে,
নামী দামী আতর বা পারফিউমের দরকার কি সে?
মায়ের ডাকে মধুর বাশীঁ বাজে
মায়ের গানে ঘুমা ই সকাল সাঝেঁ।
মায়ের কোলে মাথা গুজি পরম আয়েসে।
মা হারা সন্তানের মত দূর্ভাগা কেউ নেই ,
মা হারা হয় না যেন কেউ,
মা হারাদের জগৎ টা অমাবশ্যার ঘুটঘুটে অন্ধকারে মিশে।
থাকতে মাগো বুঝিনি তো শান্তি কিসে,
যখন তোমায় হারিয়ে এলাম ঘরে
শূন্য তায় অন্ধ হয়ে দেখি স্মৃতি গুলো ঘুড়ে ফিরে।
সে যে কি এক বিশাল শূন্যতা মা হারারাই জানে,
কোন কিছুতেই মন ভরে না শান্তি মেলে না প্রানে।
ভাগ্য তাদের ভাল,
ঘরে আছে যাদের মা নামের আলো ।
বেচেঁ থাকতে যত্ন কর যত পার মায়ের,
বেহেশত পেতে মায়ের পায়ের তলের।
কখনো কোন কারনে ফেলো নাকো মায়ের চোখের জল,
দুনিয়া আখেরাতে সমান ভাবেখোজঁ স্বর্গসূখ মায়ের চরন তল।
মা দিবসেই মা কে কেন স্মরন?
সব সময়ই স্মরন করি যতদিন হবে না মরন।
*********************************************************
(মা দিবসে সব মায়ের সম্মানে স্মরনে)