মওদুদের বিতর্কিত বাড়িটি পেল পুলিশ


অনলাইন ডেস্ক : বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদকে উচ্ছেদের ১৮ দিনের মাথায় ভেঙে ফেলা হয় গুলশানের সেই বিতর্কিত বাড়িটি। জায়গাটি এখন খালি পড়ে আছে। তবে খুববেশি দিন আর খালি পড়ে থাকবে না। সেখানে উঠবে বহুতল ভবন। আবাসন হবে পুলিশের ডিআইজি ও তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। পুলিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে মওদুদ আহমদকে উচ্ছেদের পর গুলশান-২ নম্বর সার্কেলের ১৫৯ নম্বর প্লটটি গত ৭ জুন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে তাদের তত্ত্বাবধায়নেই জায়গাটির স্থাপনা ভেঙে খালি করা হয়।

সূত্র জানায়, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আবসনের জন্য একটি প্লট চেয়ে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আবেদন করেছিল পুলিশ বিভাগ। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তুলে ধরলে তিনি গুলশানের প্লটটি পুলিশ বিভাগকে বরাদ্দ দেয়ার অনুমোদন দেন।

জানতে চাইলে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার হেলাল উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার বলেন, ‘পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য আবাসন নির্মাণের জন্য জায়গা বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর গত ২ জুন গুলশান-২ নম্বর সার্কেলের ১৫৯ নম্বর প্লটটি পুলিশকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’তিনি জানান, প্লটটিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে।

গত তিন দশক ধরে গুলশানের ওই বাড়িটিতে বসবাস করছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মওদুদ আহমদ। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে গত ৭ জুন তাকে বাড়িটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। পরে ২৫ জুন সকাল থেকে বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়ার কাজ শুরু করে রাজউক। সন্ধ্যায় স্থাপনা ভেঙে জায়গাটি খালি করা হয়। বাড়িটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা।