ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বে সর্ববৃহত ৬৬দলীয় রাজনৈতিক মহাজোট


ইমদাদুল হক রানা : বাংলাদেশ জাতীয় জোট- বিএনএ চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেছেন তার নেতৃত্বাধীন বিএনএ জোটের ৩১টি রাজনৈতিক দল এবং লায়ন সালাম মাহমুদ এর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট জোটের ৩৫টি রাজনৈতিক দল মিলে ৬৬টি রাজনৈতিক দল নিয়ে মহাজোট গঠন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করা হবে। গত ৯ অক্টোবর ৩৫টি রাজনৈতিক দল সমন্বয়ে গর্ঠিত যুক্তফ্রন্ট জোটের উদ্যোগে রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বিশ্ব মানবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। নাজমুল হুদা বলেন যে হাত মানবতার কল্যাণে কাজ করে, দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে সে হাতকে শক্তিশালী করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। কিন্তু যে হাত জ্বালাও-পোড়াও করে, মানুষের অনিষ্ট করে সে হাতকে শক্তিশালী করা বা সমর্থন করা কারোর জন্যই মঙ্গলজনক নয়। বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির জনক। যিনি আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন এটা কারো অজানা নয়। সুতরাং যে কথাগুলো অতিরিক্ত উচ্চারণ করা চাটুকারিতার সামিল তেমনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু করেছেন যা এখন দৃশ্যমান। রোহিঙ্গা মুসলমানদের আশ্রয় দিয়ে তাদের অন্ন, বস্ত্র, চিকিতসার ব্যবস্থা করে সারাবিশ্বে নন্দিত হয়েছেন, মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধিতে ভূসিত হয়েছে। এর সবই দেশে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে স্বীকৃত। সুতরাং এসব বিষয় কেউ যাতে অতিরিক্ত চাটুকারিতা না করে সে বিষয়টি নজরে রাখতে হবে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ সে কথা প্রধানমন্ত্রী নিজেও জানেন। সে নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলে অনেক ভাল করতে পারতো। হয়তো সরকার গঠন করারও সম্ভাবনা ছিল। সেটি নিশ্চয় বেগম খালেদা জিয়া অনুমান করতে পেরেছিলেন। তারপরও তিনি কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেন না তা আজও আমার বোধগম্য নয়। প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন, আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। আমরা বিশ্বাস করি তার পক্ষেই সেটা সম্ভব। যেহেতু দেশকে তিনি উন্নতির নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনিই পারবেন দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে। যুক্তফ্রন্ট জোটের চেয়ারম্যান লায়ন সালাম মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী, বিএনএ’র কো চেয়ারম্যান এম. নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এইচ.এম মেহেদী হাসান, যুক্তফ্রন্ট জোটের কো চেয়ারম্যান ও বিজিপি’র চেয়ারম্যান একেএম জুনাইদ, যুক্তফ্রন্ট জোটের মহাসচিব, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান, বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা. কাজী ফারুক বাবুল, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম.এ জলিল, ন্যাপ-ভাসানীর চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ ভাসানী, গণতানিত্রক মুক্তি আন্দোলনের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী হাওলাদার, স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ, যুক্তফ্রন্ট জোটের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েল, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।