পিএইচডি ডিগ্রি পেলেন ঢাবির ৪৭ গবেষক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪৭ জন গবেষককে পিএইচডি এবং ৪৬ জন গবেষককে এমফিল ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে।

গত ৩১ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় এ ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

পিএইচডি ডিগ্রিপ্রাপ্ত তাদের তত্ত্বাবধায়করা

কলা অনুষদের অন্তর্গত বাংলা বিভাগের অধীনে শিল্পী খানম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক আহমদ কবির, অরূপ কুমার বড়ুয়া, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. মো. আবদুস সোবহান তালুকদার এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু জাফর, মো. সাইদুর রহমান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ; আরবি বিভাগের অধীনে মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদির; মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ; ইতিহাস বিভাগের অধীনে মো. সরোয়ার হোসেন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধীনে মো. আশরাফুল হক মিয়া, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ আলম; শিউলি বেগম ও মুহা. আনিসুর রহমান, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ; মোহাম্মদ রেজাউল হোসাইন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম; দর্শন বিভাগের অধীনে মো. আনিসুজ্জামান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার রায়; বিকাশ চক্রবর্তী, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধীনে নীরু বড়ুয়া, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া।

তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে জয়ন্তী রানী বসাক, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এস এম মান্নান; বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত রসায়ন বিভাগের অধীনে শায়লা আলম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. ইউসুফ আলী মোল্লা; হেমশঙ্কর সাহা রায়, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. মো. মমিনুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মো. ইউসুফ আলী মোল্লা; আবিদা সুলতানা, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নীলুফার নাহার এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব ও অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন; গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল বাহার; পরিসংখ্যান বিভাগের অধীনে মো. ছিদ্দিকুর রহমান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. জাফর আহমেদ খান।

আইন অনুষদের অন্তর্গত আইন বিভাগের অধীনে শারমীন আখতার, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান; বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অন্তর্গত ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধীনে মো. হেমায়েত উদ্দিন হাওলাদার, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা; অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধীনে জেমস বকুল সরকার, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা; মার্কেটিং বিভাগের অধীনে মো. মোক্তার আলী, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. হরিপদ ভট্টাচার্য; বাদল কুমার ঘোষ, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. হরিপদ ভট্টাচার্য এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান; সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে নূর মোহাম্মদ সাজ্জাদুল হক সুমন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শাহেদ হাসান।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে সাবেরা ইয়াসমিন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. খন্দকার নাদিরা পারভীন; উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধীনে তানিয়া হক, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নাজমা চৌধুরী; জীববিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মনিরা বেগম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আব্দুল আজিজ; প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধীনে শুভ্রা রায়, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. হামিদা খানম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. রিমি ফারহানা জামান; ফারজানা বিনতে ফরিদ ও মোসাররত নাবিলা নাহিদ, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. গুলশান আরা লতিফা এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সুবাষ চন্দ্র চক্রবর্তী; মোহাম্মদ কামরুল হাসান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আখতারুন্নেসা চৌধুরী।

মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধীনে শারমিন জাহান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শাহ মোহাম্মদ উল্লাহ; জেসমিন পারভীন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শাহ মোহাম্মদ উল্লাহ এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আফরোজ সুলতানা চ্যামন; প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে রিচার্ড মালো, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সেরাজ; নিলুফা ফেরদৌস, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন হাওলাদার; অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে ফারজানা ইসলাম রুমি, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আহসান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মাহমুদা ইয়াসমিন ও অধ্যাপক ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস; মোহাম্মদ আরিফউল ইসলাম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. মোস্তাফিজুর রহমান; শারমিন জামান ইমন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আনোয়ারা বেগম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম খান ও ড. লতিফুল বারী; হুজ্জত উল্ল্যাহ, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আলীমুল ইসলাম।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে মুহাম্মদ আকরাম উজ্জামান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রেজাউল করিম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মাহফুজা খানম; ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অন্তর্গত কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধীনে মাহীন ইসলাম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ; লাফিফা জামাল, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহাম্মদ হাসান বাবু; আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের অন্তর্গত ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধীনে মো. জাকিরুল ইসলাম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ; স্নাতকোত্তর চিকিৎসা বিজ্ঞান ও গবেষণা অনুষদের অধীনে ফারজানা সালেহ্, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নিলুফার নাহার এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ ও অধ্যাপক ড. এম মশিউজ্জামান; শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে মো. আবদুস সালাম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আবুল এহসান এবং ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের অধীনে ফারহানা জামান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন।

এমফিল ডিগ্রিপ্রাপ্ত ও তাঁদের তত্ত্বাবধায়করা

কলা অনুষদের অন্তর্গত বাংলা বিভাগের অধীনে মো. শরীফুল ইসলাম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, মো. আলমগীর কবীর, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবহান তালুকদার, চন্দ্রা বসু ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, ইংরেজী বিভাগের অধীনে ইসরাত জাহান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. কাজল কৃষ্ণ ব্যানার্জী; ইতিহাস বিভাগের অধীনে এ.এস.এম. মোহসীন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, খাদিজা খাতুন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. রানা রাজ্জাক; আরবী বিভাগের অধীনে মো. মামুনূর রশীদ, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এবিএম ছিদ্দিকুর রহমান নিজামী।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধীনে মোহাম্মদ ওমর ফারুক, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম; সাজেদা হোমায়রা, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউসুফ ইবন হোছাইন; সুমাইয়া ফেরদৌস, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. মো. মাসুদ আলম; ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধীনে মুহাম্মদ শামসুজ্জামান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বিশ্বাস; মুহাম্মদ মাছুদুর রহমান, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান মিয়াজী এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বিশ্বাস; দর্শন বিভাগের অধীনে উম্মে হাবিবা, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নাইমা হক।

বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত রসায়ন বিভাগের অধীনে মোমেনা আফরোজ, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. ওমর আহমেদ এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আবু বিন হাসান সুসান, মো. গোলাম মোস্তফা, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের; বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অন্তর্গত মার্কেটিং বিভাগের অধীনে তাসমিনা নাহিদ ও এস.এম. সোহেল আহমদ, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন ভূইয়া; একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধীনে মো. এমাদুল করিম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা; সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে নিবেদিতা রায় ও নূরানা, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. সাব্বির আহমেদ, মোছা: শেহেলা পারভীন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী; নৃ বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে হোসনে আরা আফরোজ, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান আলী।

লোক প্রশাসন বিভাগের অধীনে মুহাম্মদ আকরাম হোসাইন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. আকা ফিরোজ আহমদ; ফারহানা আফরোজা আফরীন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. ফেরদৌস জাহান; জীববিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্গত অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে শাশ্বত বিশ্বাস, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আহসান; চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধীনে রুবিনা জাহান রুমী, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. মুহাম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার, মোছা: শম্পা ও নাঈমা জান্নাত, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী; মুক্তা জাহান বানু ও কানিজ ফাতিমা, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহমুদুর রহমান; মিতা মন্ডল, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. এম. কামরুজ্জামান মজুমদার এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. পারভীন হক; তাহমিনা পারভীন, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ড. মুহাম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস এর অধীনে মীনা ইকবাল, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক লিয়াকত আলী; আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের অন্তর্গত ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধীনে মালিহাতু কুররাতু আইনী, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম নাজেম, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অন্তর্গত ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধীনে এ.বি.এম. ওয়াহিদ মুরাদ, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আমিন; শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে মো. নূরুন্ নবী ও মো. ওমর ফারুক, তাঁদের গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক সালমা আখতার, মো. বজলুর রহমান আনছারী ও মোহা: ইমরান কবির, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক হোসনে আরা বেগম, নাফিসা বেগম, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মরিয়ম বেগম, নুরুল ইমরান মজুমদার, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক হোসনে আরা বেগম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক সালমা আখতার।

পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধীনে আঁখি আক্তার, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. শেখ নজরুল ইসলাম এবং যুগ্ম-তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, সাদিয়া সারতাজ, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এম. আখতারুজ্জামান; সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর অধীনে স্নিগ্ধা সুমনা হক, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম এবং মোসা: সালমা আক্তার, তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ.এস.এম. আতীকুর রহমান।