নাট্যজন ফালগুণী হামিদ ও মোঃ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট


সালাম মাহমুদ :বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেএগিয়ে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের বর্তমান নেতৃত্বে রয়েছে সভাপতি নাট্যজন ফালগুণী হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুররহমান,এছাড়াও লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মোঃ আসরারুল হাসান আসু সভাপতি মন্ডলী সদস্য,চিত্রনায়ক ড্যানি সিডাক সভাপতিমন্ডলীসদস্য, মোঃ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,হাজী এম.এ আকরাম মুকুল সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,আলম দেওয়ান সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,সুলতানা পারভীন সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,মুজিব মহসিন পিয়াস সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, খোরশেদ আলম খসরুস সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,চিত্রনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিকীসভাপতিমন্ডলীর সদস্য,সালমা মাসুদ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,জামাল উদ্দিন মোঃআকবর বাবলাসি.যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মোঃ বেলায়েত হোসেন সাগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইসমাত আরা চৌধুরী শান্তি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, হানিফ খান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মোঃ আমিনুল হক বাবু যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক(সভাপতি মহানগর চট্রগ্রাম), মোঃশাহাদাত হোসেন রুবেল সাংগঠনিকসম্পাদক, মোঃ রোকনুজ্জামান সোহাগ সাংগঠনিকসম্পাদক, আনোয়ার হোসেন রানা সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃমামুন মোল্লা সাংগঠনিক সম্পাদক,তাজুল ইসলাম মাসুম সাংগঠনিক সম্পাদক,মোঃ আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার সাংগঠনিকসম্পাদক, মোঃ শরিফ হোসেন অর্থ সম্পাদক, এড. নিজাম উদ্দিন নেছার দপ্তর সম্পাদক,জাহাঙ্গীর সিকদার প্রচার ও প্রকাশনা বি.সম্পাদক,পি.কে বর্মন সহ-প্রচার ও প্রকাশনা বি. সম্পাদক,জাহাঙ্গীর বিশ্বাস সমাজকল্যান সম্পাদক,মানছুরা আক্তার মনিরা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,মুক্তিযোদ্ধা মোঃ এমদাদুল হক খান মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক, সালাম মাহমুদ তথ্য ও গবেষণা বি. সম্পাদক,সানজিদা আক্তার রোজ সাংস্কৃতিক সম্পাদক। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশ ব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে সংগঠনটি। ১৯৮০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর বীরমুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক প্রয়াত আলমগীর কুমকুম প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। বাঙালি জাতির হাজার বছরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যখন ঘাতকেরা তার পুরো পরিবারসহ তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল তারপর থেকেই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে আসে অমানিশার কালোছায়া। জাতীয় জীবনের সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা মৌলবাদ ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করে সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই ছিল সংগঠন সৃষ্টির মূল লক্ষ্যে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকন্ড ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে কেন্দ্র করেই বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের জন্ম হয়। ততকালীন প্রেক্ষাপটে এই দুটি দাবিতে কথা বলার মত সাহস দেখানো লোক খুঁজে পাওয়াই ছিল দুষ্কর। কারণ খুনি মোস্তাক জিয়া তখন জনগণের স্বাধীনভাবে কথা বলার বাকশক্তিকে রুদ্ধ করে রেখেছিলো সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিদের সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যেই এ সংগঠনের জন্ম। বারোটি সাংগঠনিক কাঠামোর অধীনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গঠিত হয়েছিল। বর্তমানে সারা বাংলাদেশসহ বিশে^র বিভিন্ন প্রান্তে ইউরোপ-আমেরিকা এশিয়া আফ্রিকা মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কমিটি রয়েছে।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ রাষ্ট্রীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রেখেছেনএ সংগঠনের নেতা কর্মীরা। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে অনেক আন্দোলন সংগ্রামে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও সহযোগিতা করেছিলেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। শিক্ষা সাহিত্য, চলচ্চিত্র শিল্প,নাট্যশিল্পী,সংগীত শিল্পী,চারুকলাশিল্পী,নৃত্যশিল্পী,যন্ত্রশিল্পী,আবৃত্তি ও সমাজ কল্যাণের অগ্রগতি ও শিশু-কিশোরদের মুক্ত
চিন্তার বিকাশকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। অভিনয় শিল্পী,সংগীতশিল্পী, যাত্রা শিল্পীসহ সকল সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিদের সমস্যা এবং যে কোন বিপদ আপদে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট অভিভাবক হিসেবে কাজ করে থাকে। বর্তমান সভাপতি নাট্যজন ফালগুণী হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সংগঠনটি সারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের কৃষ্টি-কালচার সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিয়ে যারা কাজ করে সে সকল সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গদের দিয়ে দেশ এবং দেশের বাহিরে সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাহিরে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট একটি আলোচিত সংগঠনে পরিণত হয়েছে। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি এ সংগঠনের পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ জানুয়ারি, মহান শহীদ দিবস ২১শে ফেব্রুয়ারি, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ই মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ, মুজিবনগর দিবস ১৭ এপ্রিল, জননেত্রী শেখহাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১৭ মে , জাতীয় শোক দিবস ১৫ই আগস্ট, গ্রেনেড হামলা দিবস ২১শে আগস্ট, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৪ই ডিসেম্বর, বিজয়দিবস ১৬ ডিসেম্বর, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৬শে সেপ্টেম্বর পালন করা হয়, ২৮শে সেপ্টেম্বর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার জন্মদিন জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালনকরা হয়। এছাড়াও রবীন্দ্র নজরুল জন্মজয়ন্তী ও মৃত্যু বার্ষিকীসহ বিভিন্ন চলমান সময়োপযোগী অনুষ্ঠান যথাযথভাবে পালন করা হয়। এক সময় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট মুখ থুবড়ে পড়েছিল সেখান থেকে নাট্যজন ফালগুণী হামিদ ও মোঃ হাবিবুর রহমান এ সংগঠনটিকে শক্তিশালী একটি সংগঠনে পরিণত করেছেন। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গের রুটিরুজি ন্যায়সঙ্গত দাবি-দাওয়া অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতে আরো অধিকতর অবদান রাখার লক্ষ্যে এবারেরপ্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাপক আয়োজন করেছিলেন বর্তমান নেতৃবৃন্দ। জাতীয় প্রেস ক্লাবে ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন এর মধ্য দিয়ে এবারে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে সংগঠনটি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে তার সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যেভাবে উন্নয়নের মহাসড়কে অদম্য গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তারই ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে সংস্কৃতি অঙ্গনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সভাপতি নাট্যজন ফালগুণী হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠা করার বিশেষ লক্ষ্য নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।