ডিইউজে নির্বাচনে সভাপতি সূর্য সম্পাদক সোহেল


লায়ন সালাম মাহমুদ : ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবু জাফর সূর্য-সাজ্জাদ আলম খান তপু প্যানেলের আবু জাফর সূর্য। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কুদ্দুস আফ্রাদ-সোহেল হায়দার চৌধুরী প্যানেলের সোহেল হায়দার চৌধুরী।

বুধবার রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচন কমিশনার এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

সভাপতি পদে আবু জাফর সূর্য ৭১২ ভোট পেয়েছেন; তার, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কুদ্দুস আফ্রাদ পেয়েছেন ৬৭১ ভোট। ৫৪৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন জাফর ওয়াজেদ। সভাপতি পদে ১২৫ ভোট পেয়েছেন আতাউর রহমান।

সাধারণ সম্পাদক পদে সোহেল হায়দার চৌধুরী ৫৪৯ ভোট পেয়েছেন; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাজ্জাদ আলম তপু পেয়েছেন ৪৮৮। ২৪৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন সেবিকা রানী। এম এ কুদ্দুস পেয়েছেন ১৯০, খায়রুজ্জামান কামাল পেয়েছেন ১৭২ ভোট, অমিয় ঘটক পুলক পেয়েছেন ১৫১ ভোট, অনুপ খাস্তগীর পেয়েছেন ১৪৫ ভোট, গাজী জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ১১৪ ভোট, রওশন ঝুনু পেয়েছেন ১৯ ভোট।

ঘোষিত ফলাফলে সহ-সভাপতি পদে খন্দকার মোজাম্মেল হক ৭০৪ ভোট; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বরুণ ভৌমিক নয়ন পেয়েছেন ৬৩৩ ভোট। সহ-সভাপতি পদে ৪৬৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন কাজী মহসিন আল আব্বাস। মঞ্জুশ্রী বিশ্বাস পেয়েছেন ১৩১ ভোট।

ফলাফল অনুযায়ী ৫৮৫ ভোট পেয়ে যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আকতার হোসেন; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ৫১৫ ভোট। অপর দুই প্রার্থীর মধ্যে খায়রুল আলম পেয়েছেন ৫০৭ ভোট ও শামীমা আক্তার (শামীমা দোলা) পেয়েছেন ৪০৫ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে ৯২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন উম্মুল ওয়ারা সুইটি। ৫২৮ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম। এ পদে ৪৪৯ ভোট পেয়েছেন ফিরোজ চৌধুরী ও ১৯ ভোট পেয়েছেন রফিকুল ইসলাম রিপন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৬৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মনিরুজ্জামান উজ্জল; ৬৫৭ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন মামুন আবেদীন। এ পদে ৪৯২ ভোট পেয়েছেন আবু সাঈদ ও ১১৬ ভোট পেয়েছেন মহিউদ্দিন কাদের।

প্রচার সম্পাদক পদে ৭০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এ জাহেদুর রহমান জিহাদ; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেবাশীষ রায় পেয়েছেন ৬০৭ ভোট। এ পদে ৪৬১ ভোট পেয়েছেন এ কে এম ওবায়দুর রহমান ও ১৭৪ ভোট পেয়েছেন নাসির উদ্দিন বুলবুল।

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৬৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জি এম মাসুদ ঢালী; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অনজন রহমান পেয়েছেন ৪৫৫ ভোট। এ পদে জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী পেয়েছেন ৪০৮ ভোট ও হামিদ মোহাম্মদ জসিম পেয়েছেন ৩৬৯ ভোট।

জনকল্যাণ সম্পাদক পদে ৫৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ফারহানা ইয়াসমিন মিলি; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিনা শিউলী পেয়েছেন ৫৩৩ ভোট। এ পদে ৪২৯ ভোট পেয়েছেন সমীরণ রায় ও ৪০১ ভোট পেয়েছেন সোহেলী চৌধুরী।

দফতর সম্পাদক পদে ৬১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আমীর মোহাম্মদ; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম সাইফ আলী পেয়েছেন ৫৭৩ ভোট। এ পদে ৪২৩ ভোট পেয়েছেন সাজেদা হক ও ২৬৯ ভোট পেয়েছেন সফিকুল ইসলাম।

নির্বাহী সদস্য পদে সর্বোচ্চ ৮৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন হালিমা আক্তার লাবণ্য; ৭৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মুজতবা ধ্রুব, ৬৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শাহনাজ পারভিন, ৫৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সলিম উল্লাহ সেলিম, ৫৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এ এম শাহজাহান মিয়া, ৫৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শাকিলা পারভিন, ৫৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ইব্রাহীম খলিল খোকন, ৫০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মহিউদ্দিন পলাশ। ৪৭৭ ভোট পেয়ে যৌথভাবে নবমস্থান অধিকার করেছেন অজিত কুমার মহলদার, জাহিদা পারভেজ ছন্দা।

এর আগে বুধবার সকাল ৮টায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতিতে সময় এক ঘণ্টা বাড়ায় নির্বাচন কমিশন।

এ নির্বাচনে সভাপতি পদে চারজন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নয় প্রার্থীসহ ১৯টি পদে মোট ৭৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে মোট ভোটার তিন হাজার ২শ’ ৩৩ জন।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের উপ-সম্পাদক আবু তাহেরের নেতৃত্বে সাত সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এ নির্বাচন পরিচালনা করেন।