খাঁনপুর হাসপাতালে চলছে মুকতার নিয়োগ বানিজ্য!


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জ কোভিড হাসপাতালে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি নাসরিন সুলতানা মুক্তা,অবৈধ ভাবে সরকারি কোয়ার্টার দখল করার সংবাদ প্রকাশের পরে হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফ ও কর্মচারিদের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। প্রশ্ন উঠেছে, কিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি হয়েও অনিয়মের জাল বিস্তার করে আছে । সরকারি কোয়ার্টারে তার বোনকে এনে রাখলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন রয়েছেন নিরব ভূমিকায়। এ নিয়ে হাসপাতালে ব্যাপক সমালোচনা চলছে মুক্তার বিরুদ্দে। অনেকেরই অভিযোগ সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ না নিয়ে অবৈধ ভাবে দখল করে আর্থিক লাভবান হচ্ছেন মুক্তা। আর সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। এই ঘটনায় মুক্তাকে কোয়ার্টার বরাদ্দের কাগজপত্র নিয়ে হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডা. গৌতম রায় দেখা করার নির্দেশ দিয়েছেন। অপরদিকে হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন মুক্তা ছাড়াও যদি কেউ এমন ঘটনায় জড়িত থাকেন তার বিরুদ্দে ব্যবস্থা নেয়া হবে।হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়ি চালক শতকোটি টাকার মালিক আব্দুল মালেকের সাথে সক্ষতা ছিলো রাজিয়া বেগম ও তার মেয়ে মুক্তার। আর এই সুবাদে প্রথমে মালেকের মাধ্যমে খাঁনপুর ২শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কুকমাসালচি পদে বদলি হয়ে আসে মুক্তার মা রাজিয়া বেগম। এরপর এই দূর্নিতিবাজ মালেক ডিজি অফিসে পিয়ন পদে চাকুরি দেয় নাসরিন সুলতানা মুক্তাকে। এখানেই শেষ নয়,এরপর মুক্তার ছোট বোন জামাতা মোঃ রহিমকে ওয়ার্ডবয় পদে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকুরি দেয় এই মালেক। আর এ কারনেই নানা অপকর্মে জড়িয়ে পরেন তারা,এমনটাই মনে করছে অনেকে।নারায়ণগঞ্জ কোভিড হাসপাতালে প্রভাব বিস্তার করে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারি নাসরিন সুলতানা মুক্তা, সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ না নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে হাসপাতালের উত্তর দিকে অবস্থিত সরকারি কোয়ার্টার হাসনাহেনার নিচ তলার ফ্লাটটিতে তিনি নিজের ছোট বোন মনির পরিবারকে এনে উঠিয়েছেন। কিন্তু জানা গেছে এটি তার নামে বরাদ্দ নেই।বিষয়টি এতোদিন গোপন ছিলো। সম্প্রতি এই সরকারি বাসা ব্যবহারের বিষয়টি ধরা পরে। বিনা বরাদ্দে ভাড়া ছাড়াই সরকারি বাসভবনে বসবাস এ অনিয়ম আর দূর্নীতি রোখবেকে।