অভিমানী -খাজা আব্দুর রহমান


এক ফালি মেঘে ঢাকা
আমার এ বাংলাদেশ,
নেহাৎ ক্ষুদ্র তারার মতই
প্রত্যহ দেখি এর আকাশ।
ভেবেছি তখনও আমি
কেন আছি অন্ধত্বের মত
পরাধীনতার নাগ পাশে,
আমরণ প্রতিজ্ঞার অভিষারে
দেখেছি আমার এ মাতৃ মুখ,
ওরে অবাধ্য জনতা একবার
ভেবে দেখো আমার এ বিদ্রহের
চপল চাহনীর অভ্যন্তরে
আছে স্বাধীনতার অম্লান সুখ।
আমার মাতৃ বক্ষে চপল
হাওয়া ছুটে যেত এক খন্ড
ভালোবাসার মেঘ হয়ে-
ডাকে স্বাধীনতা। সত্য স্বামীত্তের
হৃদয় তন্ত্রি মহত্তের বিশ্বাস।
সুহৃদ হয়ে ফিরিত আমার চক্ষে
একটি স্বাধীনতা।
আচমকা ফিরিত চঞ্চল হরিণীর
মতই আমার হৃদয় আকাশে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রত্যাশায়
সাত কোটি জনতার প্রলুব্ধ প্রয়াস।
প্রতিদিন প্রতিক্ষণ আমায় ডাকে
ওগো তুমিই হবে, হবে বিশ্ব
নেতৃত্তের মহা পুরুষ।
বনের ময়ূরী বনেতে থাকে,
একেলায় হায় আরতো জানেনা
কেউ তাকে?
দিবস রজনীতে আর কেউ
ছিল না আমার,
ভাবতাম শুধুই ভাবতাম
স্বাধীনতা ছাড়া আর
কি চাই আমার?
চির চকোরের এক নিষ্ঠ চাওয়া
আরতো কিছু নাই।
আমার আমিত্বে ভেসে চলি
ঐ সপ্ত আকাশ পরে,
চেয়েছি তোমায় পেয়েছি তোমায়,
আমার উৎসর্গিত এই প্রেম
উল্লাসের জীবন প্রয়াত স্বাধীনতা।
বলেছি সাত কোটি জনতার কাছে,
রেখো ধরে জুগ জুগ এ স্বাধীনতা।
মৃত্যু পরবশ তাই আজ হলেম
আমি, তোমাদের কাছে অভিমানী।